আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন

ওয়াইফাই রাউটারের পাশে এই জিনিসগুলো রাখলেই কমে যাবে ইন্টারনেটের গতি

ওয়াইফাই রাউটারের পাশে এই জিনিসগুলো রাখলেই কমে যাবে ইন্টারনেটের গতি

বাড়িতে হাই-স্পিড ব্রডব্যান্ড সংযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় ইন্টারনেটের গতি হঠাৎ কমে যায়। ভিডিও স্ট্রিমিংয়ে বাফারিং, অনলাইন গেমে ল্যাগ কিংবা ভিডিও কলে সমস্যা এখন অনেকের নিত্যদিনের অভিজ্ঞতা। সাধারণত আমরা দেয়াল বা দূরত্বকে এর জন্য দায়ী করি। তবে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরের ভেতরে থাকা কিছু পরিচিত জিনিসই আসলে ওয়াইফাই সিগন্যাল দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ।

রাউটারের অবস্থান এবং আশপাশের পরিবেশ সরাসরি ইন্টারনেটের গতির ওপর প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকটি সাধারণ ভুলের কারণেই দ্রুতগতির ওয়াইফাই থেকেও কাঙ্ক্ষিত পারফরম্যান্স পাওয়া যায় না।প্রযুক্তিবিদদের মতে, ওয়াইফাই সিগন্যালের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো আয়না এবং ধাতব আসবাবপত্র।

আরও পড়ুন-নেটওয়ার্ক না থাকলেও কল করা যাবে, যেভাবে চালু করবেন WiFi Calling

আয়নার ভেতরের প্রতিফলক স্তর ওয়াইফাই সিগন্যালকে প্রতিফলিত করে অন্যদিকে ছড়িয়ে দেয়। ফলে রাউটার থেকে বের হওয়া তরঙ্গ সঠিকভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে না।

একইভাবে ধাতব আলমারি, স্টিলের র্যাক কিংবা বড় মেটাল ফার্নিচারও ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ শোষণ বা প্রতিফলনের মাধ্যমে সিগন্যাল দুর্বল করে দেয়। তাই রাউটারের আশপাশে এসব জিনিস না রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যদিকে অনেকেই রাউটারের পাশে ব্লুটুথ স্পিকার, ওয়্যারলেস হেডফোন বা ল্যাপটপ রাখেন। কিন্তু এটিও ইন্টারনেটের গতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

কারণ অধিকাংশ ওয়াইফাই এবং ব্লুটুথ ডিভাইস একই ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে। ফলে দুটি সিগন্যালের মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয় এবং ইন্টারনেটের গতি কমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত ও স্থিতিশীল সংযোগ পেতে ব্লুটুথ ডিভাইসগুলো রাউটার থেকে কিছুটা দূরে রাখা উচিত।শুধু ইলেকট্রনিক ডিভাইসই নয়, পানিও ওয়াইফাই সিগন্যালের জন্য বড় বাধা হতে পারে।

প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, পানির অণুগুলো রেডিও ওয়েভ শোষণ করে নেয়। ফলে রাউটারের পাশে বড় অ্যাকোরিয়াম, পানির ট্যাঙ্ক বা অতিরিক্ত আর্দ্র পরিবেশ থাকলে সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে।এমনকি ভারী বৃষ্টির সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণেও ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যেতে পারে।এছাড়া অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসকারীদের আরেকটি সাধারণ সমস্যা হলো ‘চ্যানেল ইন্টারফেয়ারেন্স’।

একই এলাকায় অনেক রাউটার থাকলে প্রায় একই ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলে সিগন্যাল চলাচল করে, ফলে একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি হয়। এতে ইন্টারনেটের স্থিতিশীলতা কমে যেতে পারে।

এই সমস্যা সমাধানে রাউটারের সেটিংস থেকে ওয়াইফাই চ্যানেল পরিবর্তন করার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।ভালো পারফরম্যান্সের জন্য রাউটার সবসময় ঘরের মাঝামাঝি এবং কিছুটা উঁচু স্থানে রাখা উচিত। এতে সিগন্যাল চারদিকে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে।অনেক আধুনিক রাউটারে সিগন্যাল বুস্ট বা পাওয়ার অ্যাডজাস্ট করার সুবিধাও থাকে, যা প্রয়োজনে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট ছোট এই পরিবর্তনগুলোই আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও দ্রুত, স্থিতিশীল এবং নিরবচ্ছিন্ন করে তুলতে পারে।

সুত্রঃ TP-Link Official Website

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

বাংলা টেক নিউজ টিম

বাংলা টেক নিউজ টিম একটি অভিজ্ঞ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার কনটেন্ট রাইটারদের সমন্বয়ে গঠিত একটি লেখক দল, যারা বাংলা ভাষায় নির্ভুল, তথ্যভিত্তিক ও পাঠক-বান্ধব কনটেন্ট তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের প্রতিটি লেখক প্রযুক্তি, ব্রেকিং নিউজ, অনলাইন আয়, স্বাস্থ্য, লাইফস্টাইল, ডিজিটাল ট্রেন্ড ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গভীর গবেষণার মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করে থাকেন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now