বর্তমান সময়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ছাড়া অনলাইন ক্লাস, অফিসের ভার্চুয়াল মিটিং, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা গেমিং—কোনোটিই স্বাচ্ছন্দ্যে করা সম্ভব নয়। কিন্তু অনেকেই উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার করেও প্রত্যাশিত ইন্টারনেট স্পিড পান না। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, সব সময় ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান দায়ী নয়; অনেক ক্ষেত্রে রাউটারের অবস্থান, সেটিংস কিংবা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই সংযোগ ধীর হয়ে যায়।
আরও পড়ুন-ওয়াইফাই রাউটারের পাশে এই জিনিসগুলো রাখলেই কমে যাবে ইন্টারনেটের গতি
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাউটার এমন জায়গায় রাখা উচিত যেখানে চারপাশ খোলা থাকে এবং সিগন্যাল সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে। অনেকেই রাউটার আলমারির ভেতর, টেলিভিশনের পেছনে বা মোটা দেয়ালের পাশে রাখেন। এতে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল বাধাগ্রস্ত হয় এবং সংযোগের মান কমে যায়। ঘরের কেন্দ্রীয় স্থানে রাউটার রাখলে পুরো বাড়িতে তুলনামূলকভাবে সমান সিগন্যাল পাওয়া যায়।
দীর্ঘদিন একটানা চালু থাকলেও রাউটারের কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই মাসে অন্তত একবার অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পরপর রাউটার বন্ধ করে ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট অপেক্ষা করে পুনরায় চালু করার পরামর্শ দেন প্রযুক্তিবিদরা। এতে অস্থায়ী মেমোরি পরিষ্কার হয় এবং অনেক সময় সংযোগের গতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
রাউটারের ফার্মওয়্যারও নিয়মিত আপডেট রাখা প্রয়োজন। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তা দুর্বলতা দূর করার পাশাপাশি পারফরম্যান্স উন্নত করতে নতুন আপডেট প্রকাশ করে। পুরোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের স্থিতিশীলতা ও গতি দুটোই কমে যেতে পারে।
যদি বারবার সংযোগে সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে রাউটারের রিসেট অপশন ব্যবহার করা যেতে পারে। অধিকাংশ রাউটারের পেছনে ছোট একটি রিসেট বাটন থাকে। কয়েক সেকেন্ড চেপে ধরলে ডিভাইসটি ডিফল্ট সেটিংসে ফিরে যায়। তবে রিসেট করার পর নতুন করে ইন্টারনেট সংযোগের তথ্য দিয়ে সেটআপ করতে হবে।
একই সঙ্গে রাউটারে অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস সংযুক্ত থাকলেও ব্যান্ডউইথ ভাগ হয়ে ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই নিয়মিত সংযুক্ত ডিভাইসগুলো পরীক্ষা করে অচেনা বা অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস সরিয়ে দেওয়া ভালো।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ধীরগতির ইন্টারনেট মানেই নতুন বা বেশি দামের প্যাকেজ নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই রাউটারের সঠিক অবস্থান নির্বাচন, নিয়মিত রিস্টার্ট, প্রয়োজন হলে রিসেট এবং ফার্মওয়্যার আপডেটের মতো সহজ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেই ইন্টারনেট সংযোগের গতি ও স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।
সুত্রঃ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










