মোবাইলে হঠাৎ ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে অনেক সময় বিপাকে পড়তে হয় ব্যবহারকারীদের। জরুরি কল করা, ইন্টারনেট চালানো কিংবা প্রয়োজনীয় বার্তা পাঠানোর সময় ব্যালেন্স না থাকলে সমস্যায় পড়েন প্রায় সবাই। এই পরিস্থিতিতে মোবাইল অপারেটরগুলোর ‘ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স’ সুবিধা বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশের প্রায় সব মোবাইল অপারেটরই এখন গ্রাহকদের জন্য জরুরি ব্যালেন্স বা ব্যালেন্স লোন সুবিধা দিয়ে থাকে। নির্দিষ্ট কোড ডায়াল করলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মোবাইলে জরুরি ব্যালেন্স চলে আসে।
আরও পড়ুন-GP Banglalink না Robi কোন সিমে মিলছে সবচেয়ে দ্রুত ইন্টারনেট
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে দেশের বড় একটি অংশ মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন যোগাযোগ এবং ইন্টারনেটনির্ভর বিভিন্ন সেবার ওপর নির্ভরশীল। ফলে জরুরি মুহূর্তে ব্যালেন্স লোন সুবিধা ব্যবহারকারীদের জন্য অনেকটাই সহায়ক হয়ে উঠেছে।
গ্রামীণফোনের ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স: Grameenphone ব্যবহারকারীরা জরুরি ব্যালেন্স নিতে ডায়াল করতে পারেন *121*1*3#। এছাড়া মাইজিপি অ্যাপ থেকেও এই সুবিধা নেওয়া যায়।ব্যবহারকারীর রিচার্জ ইতিহাস এবং সিম ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে কত টাকা ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স দেওয়া হবে তা নির্ধারণ করা হয়।
রবির জরুরি ব্যালেন্স: Robi গ্রাহকরা *8811# ডায়াল করে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট সময় সিম সক্রিয় থাকলে এবং পূর্বের বকেয়া পরিশোধ করা থাকলে এই সুবিধা পাওয়া যায়।
বাংলালিংকের ইমার্জেন্সি লোন: Banglalink ব্যবহারকারীদের জন্য ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নেওয়ার কোড হলো *874#। প্রয়োজন অনুযায়ী অপারেটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত অঙ্কের লোন দিয়ে থাকে।
টেলিটকের জরুরি ব্যালেন্স: সরকারি মোবাইল অপারেটর Teletalk ব্যবহারকারীরা *1122# ডায়াল করে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সুবিধা নিতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সুবিধা মূলত স্বল্পমেয়াদি সহায়তা হিসেবে কাজ করে। পরবর্তীতে রিচার্জ করলে সেই টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়া হয়।
তবে সব গ্রাহক এই সুবিধা পান না। সাধারণত নির্দিষ্ট সময় ধরে সিম সক্রিয় থাকা, নিয়মিত রিচার্জ এবং আগের নেওয়া ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স পরিশোধের ওপর ভিত্তি করে এই সুবিধা দেওয়া হয়।
টেলিযোগাযোগ বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে মোবাইল অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ায় গ্রাহকসেবাতেও নতুন নতুন সুবিধা যুক্ত হচ্ছে। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এছাড়া এখন অনেক অপারেটর অ্যাপভিত্তিক ব্যালেন্স লোন সুবিধাও চালু করেছে। ফলে ইউএসএসডি কোড ছাড়াও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করেও সহজে জরুরি ব্যালেন্স নেওয়া যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া নিয়মিত ব্যালেন্স লোন ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি হলে পরবর্তী রিচার্জের বড় অংশ কেটে যেতে পারে।সব মিলিয়ে ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলেও এখন কয়েক সেকেন্ডেই জরুরি লোন নেওয়ার সুবিধা থাকায় ব্যবহারকারীরা অনেকটাই স্বস্তি পাচ্ছেন।
সূত্র: Grameenphone, Robi, Banglalink, Teletalk Bangladesh
আরও পড়ুন-প্রিপেইড প্ল্যানে হঠাৎ দাম বাড়ালো এয়ারটেল গ্রাহকদের খরচ বাড়ল একধাক্কায়
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔









