আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন

মোবাইলে ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব, ফি কত হতে পারে?

October 13, 2026 10:15 PM
মোবাইলে ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব, ফি কত হতে পারে?

মোবাইল ফোনে জরুরি প্রয়োজনে নেওয়া ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের সর্বোচ্চ সীমা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে দেশের মোবাইল অপারেটরগুলো। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে গ্রাহকেরা জরুরি প্রয়োজনে বেশি টাকা নেওয়ার পাশাপাশি তুলনামূলক বেশি দামের ইন্টারনেট ও অন্যান্য প্যাকেজ কেনার সুযোগ পাবেন। তবে নতুন সীমা এখনো চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়নি; এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অনুমোদন ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

আরও পড়ুন-পেশাজীবীদের জন্য টেলিটকের নতুন পেশাজীবী প্যাকেজ চালু

প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০০ টাকার বেশি থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নিলে সর্বোচ্চ ১০ টাকা সেবা ফি নেওয়ার কথা রয়েছে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য কর যুক্ত হলে ১০ টাকা সেবা ফির মোট পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৩ টাকা ৯০ পয়সা। বর্তমানে ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নিলে সেবা ফি ২ টাকা, করসহ যা ২ টাকা ৭৮ পয়সা।

রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদের বক্তব্য অনুযায়ী, অনেক সময় গ্রাহকের নেওয়া জরুরি ব্যালান্স দিয়ে প্রয়োজনীয় প্যাকেজ কেনা সম্ভব হয় না। যেমন, কোনো প্যাকেজের দাম ৩১০ টাকা হলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা ব্যালান্স নিয়ে সেটি কেনা যাবে না। সীমা বাড়লে গ্রাহকেরা প্রয়োজন অনুযায়ী বেশি দামের প্যাকেজ কেনার সুযোগ পাবেন।

ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের সীমা বাড়ানোর উদ্যোগ প্রথমে নেয় গ্রামীণফোন। ২০২৬ সালের ৩ মার্চ বিটিআরসির কাছে পাঠানো চিঠিতে অপারেটরটি সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত জরুরি ব্যালান্স দেওয়ার অনুমতি চেয়েছিল। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ টাকা সেবা ফির প্রস্তাবও দেওয়া হয়। পরে অন্য অপারেটরগুলোর সঙ্গে আলোচনা এবং অভিন্ন নীতিমালা তৈরির উদ্যোগের পর ৫০০ টাকা পর্যন্ত সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব সামনে আসে।

মোবাইল অপারেটরগুলোর সংগঠন অ্যামটব ২৩ জুলাই বিটিআরসির কাছে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স দেওয়ার প্রস্তাব জমা দেয়। প্রাথমিক প্রস্তাবে বিভিন্ন অঙ্কের ব্যালান্সের জন্য আলাদা সেবা ফির কথা বলা হয়েছিল। পরে ২০ আগস্ট বিটিআরসি ও অ্যামটবের বৈঠকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালান্সের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ টাকা সেবা ফি রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে ফি নির্ধারণের বিষয়ে অপারেটরগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।

বর্তমানে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের গ্রাহকেরা সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নিতে পারেন। অন্যদিকে, টেলিটকের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা ৫০ টাকা। গ্রাহকের ব্যবহার ও যোগ্যতার ভিত্তিতে জরুরি ব্যালান্সের পরিমাণ নির্ধারিত হয়। পরবর্তী সময়ে রিচার্জ করলে নেওয়া ব্যালান্স ও প্রযোজ্য সেবা ফি কেটে নেওয়া হয়।

অপারেটরগুলোর দাবি, ইমার্জেন্সি ব্যালান্স এখন শুধু মূল ব্যালান্স ধার নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে মিনিট লোন, ডেটা লোন এবং বিভিন্ন প্যাকেজ কেনার সুবিধাও যুক্ত হয়েছে। ফলে ব্যালান্সের সীমা বাড়লে জরুরি যোগাযোগ চালু রাখা ও প্রয়োজনীয় সেবা কেনা সহজ হতে পারে।

তবে সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি সেবা ফির বিষয়টিও গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হলে কত টাকা পর্যন্ত ব্যালান্স পাওয়া যাবে, কোন অঙ্কে কত ফি দিতে হবে এবং কোন অপারেটরে কখন সুবিধাটি চালু হবে—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অপারেটরদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুসরণ করতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

Sobujar Alam

প্রযুক্তি, অনলাইন সেবা ও নাগরিক সুবিধাবিষয়ক তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট নিয়ে নিয়মিত কাজ করি। সরকারি ভাতা, এনআইডি, পাসপোর্ট, জন্ম নিবন্ধন, মোবাইল ও ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা সহজ ভাষায় সবার কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করি। প্রযুক্তির নতুন আপডেট, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য তথ্য প্রকাশ করতে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। নিয়মিত গাইডধর্মী ও তথ্যসমৃদ্ধ কনটেন্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ও নাগরিক সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করছি।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

2 thoughts on “মোবাইলে ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব, ফি কত হতে পারে?”

Comments are closed.