সিলেটে নিজেদের ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করেছে গ্রামীণফোন। ৪৫০টি সোলার প্যানেল দিয়ে স্থাপিত কেন্দ্রটি থেকে বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রামীণফোনের দাবি, এটি বাংলাদেশের কোনো ডেটা সেন্টারে স্থাপিত বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র।
আরও পড়ুন- গ্রামীণফোন সিম অনলাইনে অর্ডার করে ঘরে বসে পাওয়ার নিয়ম ও দাম
সিলেটে নিজেদের ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করেছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দেশের যেকোনো ডেটা সেন্টারে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়। কেন্দ্রটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪৫০টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে গ্রামীণফোন। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, নিজেদের পরিচালিত অবকাঠামোতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
জেডটিইর কারিগরি সহায়তায় স্থাপিত কেন্দ্রটি থেকে বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে গ্রামীণফোন। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, এর ফলে বছরে প্রায় ১৮৮ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে।
সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারাবাহিকতায় নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী অবকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিবেশের প্রতিও দায়িত্বশীল থাকা প্রয়োজন।
ইয়াসির আজমান আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রামীণফোনের কার্বন নিঃসরণ ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেডটিই বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাও জুন্যং বলেন, ডেটা সেন্টারের কার্যক্রমে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তি যুক্ত করার মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমাতে সহায়তা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ গ্রামীণফোনের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মাও জুন্যংয়ের ভাষ্য, এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ শিল্প খাতে উদাহরণ তৈরি করতে পারে এবং বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার আবুল কাসেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাক এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান উপস্থিত ছিলেন।
ডেটা সেন্টার পরিচালনায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এ ধরনের অবকাঠামোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সুত্রঃ প্রথম আলো
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!









