২০২৬ সালে স্মার্টফোন বাজারে Xiaomi‑এর সাব‑ব্র্যান্ড Redmi সিরিজের নতুন মডেলগুলো বাংলাদেশে ব্যাপক চাহিদা পাচ্ছে। বিশেষ করে বাজেট ও মিড‑রেঞ্জ ক্যাটাগরিতে Redmi মডেলগুলোতে উন্নত ফিচার, শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও সাশ্রয়ী মূল্য থাকায় ক্রেতাদের প্রাধান্য পাচ্ছে।
বাংলাদেশি বাজারে Redmi‑এর ২০২৬ সালের নতুন মডেলগুলোর দাম সাধারণত ৳১০,০০০ থেকে শুরু করে ৫০,০০০+ টাকার মধ্যে রয়েছে। স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্ট, র্যাম কিতি এবং উন্নত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী দাম কিছুটা ওঠানামা করতে পারে।
আর পড়ুন-Infinix Hot 10 বাংলাদেশ প্রাইস ও স্পেসিফিকেশন ২০২৬
২০২৬ সালে নতুন Redmi মডেল ও দাম
১. Redmi 15
-
স্টোরেজ/র্যাম: 6GB + 128GB / 8GB + 256GB।
-
প্রায় দাম: ৳17,999 – ৳20,999।
-
স্পেসিফিকেশন: 6.6” ডিসপ্লে, 50MP প্রধান ক্যামেরা, 5000mAh ব্যাটারি।
-
বৈশিষ্ট্য: 18W ফাস্ট চার্জ, স্মার্ট ক্যামেরা মোড, গেমিং-ফ্রেন্ডলি UI
২. Redmi 15C 5G
-
স্টোরেজ/র্যাম: বিভিন্ন অপশন।
-
প্রায় দাম: ৳17,000 – ৳21,000।
-
বৈশিষ্ট্য: 5G কানেক্টিভিটি, লং-লাস্টিং ব্যাটারি, মিডিয়াটেক চিপসেট।
৩. Redmi Note 15 4G
-
স্টোরেজ/র্যাম: 6GB + 128GB।
-
প্রায় দাম: ৳28,000।
-
বৈশিষ্ট্য: 120Hz রিফ্রেশ রেট, AMOLED ডিসপ্লে, 108MP প্রাইমারি ক্যামেরা।
৪. Redmi K90 সিরিজ (Flagship)
-
K90: প্রায় ৳50,000।
-
K90 Pro Max: প্রায় ৳94,900।
-
বৈশিষ্ট্য: Snapdragon 8+ Gen1 চিপসেট, 120W ফাস্ট চার্জ, বড় AMOLED ডিসপ্লে।
Redmi ২০২৬ নতুন মডেলগুলো কেন জনপ্রিয়
মূল কারণগুলো:
-
মূল্য‑মান ভারসাম্য: Redmi মডেলগুলো সাধারণত কম দামে ভালো ফিচার দেয়, যা বাংলাদেশি বাজারের ক্রেতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
-
ব্যাটারি ব্যাকআপ: অধিকাংশ মডেলে বড় ব্যাটারি থাকায় সারাদিন ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত সাপোর্ট পাওয়া যায়।
-
ক্যামেরা পারফরম্যান্স: মিড‑রেঞ্জ ও উন্নত ক্যামেরা সেটআপের কারণে ছবি‑ভিডিও শুটিং‑এ এগুলোর পারফরম্যান্স ভালো।
-
5G সাপোর্ট: 5G‑এর সহজ গ্রহণযোগ্যতাও Redmi ফোনগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।
Redmi ২০২৬ নতুন মডেলের সুবিধা ও ফিচার
-
বড় ডিসপ্লে ও উচ্চ রেজোলিউশন।
-
শক্তিশালী প্রসেসর ও স্মুথ পারফরম্যান্স।
-
৪–১২ জিবি RAM, স্টোরেজ অপশন ৬৪–৫১২ জিবি।
-
উন্নত ক্যামেরা (৫০ MP – ১২০ MP)।
-
দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি (৫,০০০ mAh+)।
-
ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট (৪৮–৬৭W)।
-
5G নেটওয়ার্ক সাপোর্ট।
-
আধুনিক ডিজাইন ও হালকা ওজন।
-
ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফেস আনলক নিরাপত্তা।
-
বাজেট থেকে প্রিমিয়াম পর্যন্ত বিভিন্ন মডেল।
-
ইউএসবি-সি পোর্ট ও হালনাগাদ সফটওয়্যার ইন্টারফেস।
-
মিড‑রেঞ্জ ও ফ্ল্যাগশিপ উভয় সেগমেন্টে ভালো পারফরম্যান্স।
স্মার্টফোন কেনার সময় মনে রাখবেন
📌 দাম যাচাই: অফিসিয়াল স্টোর ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দাম একটু ভিন্ন হতে পারে।
📌 ওয়ারেন্টি: ফোনের সাথে অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি থাকলে পরে সেবা পাওয়া সহজ হয়।
📌 স্টোরেজ ও RAM: আপনার ব্যবহার অনুযায়ী RAM ও স্টোরেজ নির্বাচন করুন।
📌 ক্যামেরা ও ব্যাটারি: ফটো/ভিডিও, গেমিং বা দৈনন্দিন কাজের জন্য ক্ষমতা যাচাই করে নিন।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: ২০২৬ সালে Redmi ফোনের কম দামের মডেল কোনটি?
উত্তর: Redmi 12C ২০২৬ সালের অন্যতম কম দামের মডেল, প্রায় ৳১১,০০০ – ৳১৩,০০০।
প্রশ্ন ২: কোন Redmi মডেলটি মিড‑রেঞ্জে সেরা?
উত্তর: Redmi Note 15 Pro হলো মিড‑রেঞ্জ সেরা বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয়।
প্রশ্ন ৩: Redmi ফোনে 5G সাপোর্ট কি সব মডেলে আছে?
উত্তর: বড় মডেলগুলোতে (যেমন Note 15 Pro/Ultra, K60) 5G সাপোর্ট থাকে, বাজেট মডেলে নাও থাকতে পারে।
প্রশ্ন ৪: Redmi K60 কি গেমিং‑এর জন্য ভালো?
উত্তর: হ্যাঁ, Redmi K60‑এর শক্তিশালী চিপসেট ও উচ্চ রিফ্রেশ রেট ডিসপ্লে গেমিং‑এ ভালো পারফরম্যান্স দেয়।
উপসংহার
২০২৬ সালে Redmi সিরিজ বাংলাদেশি স্মার্টফোন বাজারে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাজেট থেকে শুরু করে মিড‑রেঞ্জ ও প্রিমিয়াম পর্যন্ত বিভিন্ন মডেল ক্রেতাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সুবিধা প্রদান করছে। বিশেষ করে Redmi Note 15 Pro, Note 15 Ultra ও K60 মডেলগুলো উন্নত ফিচার ও পারফরম্যান্সের কারণে ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশি গ্রহণযোগ্য।দাম ও ফিচার বিবেচনায় Redmi ২০২৬ সালের নতুন মডেলগুলো বাংলাদেশি বাজারে একটি শক্তিশালী প্রতিযোগিতা তৈরি করেছে, যা স্মার্টফোন ক্রেতাদের জন্য বেশ উপযোগী বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
আরও পড়ুন-ভিভো মোবাইল বাংলাদেশ প্রাইস
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔








