বর্তমান সময়ে শিশুদের মধ্যে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক শিশু দিনের বড় একটি সময় কাটাচ্ছে মোবাইলে ভিডিও দেখা, গেম খেলা কিংবা বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আরও পড়ুন-স্মার্টফোনের আসক্তি কমানোর সহজ উপায়
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, নিয়মিত দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহারের কারণে শিশুদের মনোযোগ কমে যাওয়া, ঘুমের সমস্যা, আচরণগত পরিবর্তন এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে মোবাইল গেমের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি শিশুদের মানসিক বিকাশে বাধা তৈরি করছে বলেও মত দিয়েছেন তারা।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে শুধু মোবাইল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনলেই হবে না, বরং তাদের বিকল্প সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে। এজন্য শিশুদের নিয়মিত বাইরে খেলাধুলা, ছবি আঁকা, গান শেখা কিংবা নাচের মতো কার্যক্রমে অংশ নিতে উৎসাহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে শিশুদের সৃজনশীলতা ও সামাজিক দক্ষতা বাড়বে।
চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে অনেক শিশু ঘুমানোর আগেও দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহার করে। এতে তাদের ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয় এবং শারীরিক ক্লান্তি বৃদ্ধি পায়। তাই ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে শিশুদের হাতে মোবাইল না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা আরও বলছেন, শিশুদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সময় কাটানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভালোবাসা, গল্প করা ও পারিবারিক যোগাযোগ বাড়লে শিশুরা মোবাইলের প্রতি কম আকৃষ্ট হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও নিজেদের মোবাইল ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। কারণ শিশুরা সাধারণত বড়দের আচরণ থেকেই অভ্যাস গড়ে তোলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি থেকে শিশুদের পুরোপুরি দূরে রাখা সম্ভব নয়। তবে সঠিক সময় নির্ধারণ, সচেতন ব্যবহার এবং বিকল্প আনন্দদায়ক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের মোবাইল আসক্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
সুত্রঃ যুগান্তর
আরও পড়ুন-হেডফোন ব্যবহারে 60-60 নিয়ম মানছেন তো? নইলে হতে পারে শ্রবণক্ষতি
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










