বিদেশ ভ্রমণ, উচ্চশিক্ষা, চাকরি কিংবা চিকিৎসার জন্য এখন পাসপোর্ট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে আধুনিক ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করায় আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে পাসপোর্ট করা। ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করা যায় এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে খুব সহজেই হাতে পাওয়া সম্ভব ই-পাসপোর্ট।
বর্তমানে নতুন পাসপোর্ট, মেয়াদ নবায়ন কিংবা তথ্য সংশোধনের জন্য নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। আবেদনকারীকে প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের জেলা ও থানা নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য যুক্ত করে পাসপোর্টের ধরন নির্বাচন করতে হয়।
আরও পড়ুন-ভোটার আইডি কার্ডে রক্তের গ্রুপ সংশোধনের নিয়ম
বাংলাদেশে সাধারণত ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্ট পাওয়া যায়। মেয়াদ হিসেবে ৫ বছর অথবা ১০ বছর নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে। আবেদন সম্পন্ন হলে নির্ধারিত ফি অনলাইনে বা অনুমোদিত ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। বর্তমানে বিকাশ, নগদ, রকেট এবং ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমেও পেমেন্ট সুবিধা রয়েছে।
ফি পরিশোধের পর আবেদন ফর্ম ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লিপ ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে হয়। এরপর নির্ধারিত তারিখে আবেদনকারীকে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে হয়। সেখানে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়, যার মধ্যে ছবি তোলা, ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং আইরিশ স্ক্যান অন্তর্ভুক্ত থাকে।
নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র, অনলাইন জন্মনিবন্ধন, আবেদন কপিসহ প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয়। ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিও প্রয়োজন হতে পারে।
পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো পুলিশ ভেরিফিকেশন। আবেদনকারীর বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যাচাই করতে পুলিশ যোগাযোগ করতে পারে। তথ্য সঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাসপোর্ট প্রস্তুত হয়ে যায়। এরপর মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাসপোর্ট সংগ্রহের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আবেদন করার সময় নাম, জন্মতারিখ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সঠিকভাবে মিলিয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল বা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হতে পারে। এছাড়া দালাল এড়িয়ে সরাসরি সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে সাধারণ (Regular), এক্সপ্রেস (Express) এবং সুপার এক্সপ্রেস (Super Express) এই তিন ধরনের ডেলিভারি সুবিধা চালু রয়েছে। সাধারণ আবেদনে প্রায় ১৫ থেকে ২১ কর্মদিবস সময় লাগলেও জরুরি সেবায় তুলনামূলক কম সময়ে পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব।
সুত্রঃ টিসিবির অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি
আরও পড়ুন-ট্যাক্স টোকেন নবায়ন জরিমানা কত টাকা হবে জানুন
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










