ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ “ফ্যামিলি কার্ড” কার্যক্রম ঈদের আগেই চালু হওয়ার ঘোষণা এসেছে। প্রথমে এটিকে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আটটি উপজেলার মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে—এতে সুবিধা পাবে প্রান্তিক ও নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলো।
আরও পড়ুন-রমজান উপলক্ষে আজ থেকে টিসিবি ও স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডে পণ্য বিক্রি শুরু
সরকার কি ঘোষণা দিয়েছে?
সরকারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এই কমিটি “ফ্যামিলি কার্ড” কর্মসূচির ডিজাইন, বাস্তবায়ন কাঠামো এবং সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি নির্ধারণ করবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়।।
- প্রথমে দেশের আটটি বিভাগের একটি করে উপজেলা পাইলট হিসেবে নির্বাচিত হবে।
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেস লিংক করে একটি ডিজিটাল MIS তৈরি করার সুপারিশ থাকবে।
- কমিটি ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেবে যাতে ঈদের আগেই বিতরণ শুরু করা যায়।
প্রথম পর্যায়ে কারা সুবিধা পাবে?
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী—
- প্রাথমিকভাবে প্রান্তিক ও নিম্ন-আয়ের পরিবার।
- সমাজ-কল্যাণের বর্তমান কর্মসূচিতে থাকা সুবিধাভোগীরা।
- পরে ধাপে-ধাপে আরও পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাইলট সফল হলে ভবিষ্যতে যেকোনো শ্রেণির পরিবারও ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসতে পারে।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী?
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির লক্ষ্য হলো—
- সামাজিক নিরাপত্তা শক্তিশালী করা।
- নির্ধারিত উপকারভোগীদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া।
- বিদ্যমান নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর পাশাপাশি একটি আধুনিক ডিজিটাল ভর্তুকি বিতরণ সিস্টেম তৈরি করা।
- দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোকে ঈদের আগে সরাসরি সহায়তা পৌঁছানো।
এটি দেশের বৃহত্তম সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগগুলোর একটি হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাস্তবায়নের ব্যবস্থা কীভাবে হবে?
- সরকার একটি উচ্চ-পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে—
- অর্থমন্ত্রী চেয়ারম্যান
- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
- স্থানীয় সরকার, উন্নয়ন ও সহায়তা বিভাগের প্রতিনিধি
- অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সচিবরা সদস্য হিসাবে যুক্ত
এই কমিটি—
- সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি তৈরি করবে।
- একটি ডিজিটাল MIS সিস্টেম প্রণয়ন সুপারিশ করবে।
- পাইলট কর্মসূচির উপর একটি প্রাথমিক রিপোর্ট ২৪ ফেব্রুয়ারি জমা দেবে যাতে ঈদের আগেই কার্যক্রম শুরু হওয়া নিশ্চিত হয়।
সময়সূচি কি?
বর্তমানে সরকারি নোটিশে উল্লেখিত—
- পাইলট ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প চালু হবে ঈদের আগেই।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে হবে।
- প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা চলমান থাকবে।
- বাস্তবায়ন কর্মসূচি ধাপে-ধাপে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ হবে।
অফিসিয়াল ঘোষণা কোথায় পাবেন?
আরও তথ্য ও বিস্তারিত সরকারি নোটিশ শেয়ার করা হবে—
✔️ সরকারি গেজেট
✔️ সরকারি ওয়েবসাইট/ডিপার্টমেন্ট নোটিশ
✔️ জাতীয় সংবাদমাধ্যম
⚠️ অনির্ভরযোগ্য সোর্স বা গুজব থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উপসংহার
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি একটি বড় সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ, যা ঈদের আগেই পাইলট হিসেবে চালু হচ্ছে। প্রথম ধাপে দেশের আটটি উপজেলার প্রান্তিক ও নিম্ন-আয়ের পরিবারকে এই সুবিধা দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে ধাপে-ধাপে আরও পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
আরও পড়ুন-টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড আবেদন করার নিয়ম ২০২৬
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










